আঞ্চলিক দৈনিক আমাদের রাজশাহীসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর রাজশাহীর তানোরে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কোচিং ফি ও প্রবেশপত্র আটকে প্রতি শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে আদায় করা অতিরিক্ত অর্থ অবশেষে ফেরত দিয়ে ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম। তবে সচেতন মহল অভিযুক্ত শিক্ষকের বেতন বন্ধসহ দৃশ্যমান ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন। তারা বলছে,তার শাস্তি না হলে অন্যরা সতর্ক হবে না,তারাও বেশী টাকা নিবে ধরা পড়লে ফেরত দিবে ?
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে নিয়ে প্রধান আমিরুল ইসলাম তাদের কাছে টাকা ফেরত দেন। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে থেকে কোচিং ক্লাসের নামে ২ হাজার ও প্রবেশপত্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা করে নেয়া হয়েছিল।তবে কয়েকজন পরীক্ষার্থী এঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে টাকা না নিয়েই চলে যায়। এর আগে গত রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে প্রধান শিক্ষক প্রতিটি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে এসেছেন। এসবের নেপথ্যে রয়েছে এক সাবেক সভাপতি বলে শিক্ষার্থীরা জানান।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে অভিভাবক সভার কথা বলে সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। স্বাক্ষর না করলে পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হবে বলে তাদের জানানো হয়েছে।
প্রঙ্গগত, রোববার (১৯ এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে স্কুল চত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত ও বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে, এসময় কৌশলে প্রধান শিক্ষক সটকে পড়েন। পরে সাবেক সভাপতির আহবানে প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসেন। এ সময় স্কুলের অফিস কক্ষে ব্যাপক হট্রগোলের সৃস্টি হয়। প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতির মারমুখী আচরণে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে।
জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর নিয়মিত মোট ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম বলেন,ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা,কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা ও প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা ও কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা নেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রবেশপত্র নিতে আরো ৫০০ টাকা চেয়েছে,না দেয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।
মিনহাজুল ইসলাম বলেন, গত রবিবার সকালে প্রবেশপত্র আনার জন্য স্কুলে যাই। আমাদের সহকারী শিক্ষক স্যার এ সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় আমার প্রবেশপত্র আটক করে রাখেন। তিনি আরও বলেন, ৫০০ টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আমার পিতা একজন কৃষক মানুষ। এর আগে অনেক কষ্ট করে ৭ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ এবং কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছেন। এখন ৫০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই খালি হাতে চলে আসছি। পরীক্ষা দিতে পারবো কি না এটা ভেবে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
এবিষয়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ,ন,ম মোফাখখারুল বলেন, প্রবেশপত্র দিতে টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকগণের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা ও প্রবেশপত্র বাবদ নেয়া টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে পরীক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্কুলে ডেকে নিয়ে প্রধান আমিরুল ইসলাম তাদের কাছে টাকা ফেরত দেন। এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কাছে থেকে কোচিং ক্লাসের নামে ২ হাজার ও প্রবেশপত্র ফি বাবদ ৫০০ টাকা করে নেয়া হয়েছিল।তবে কয়েকজন পরীক্ষার্থী এঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে টাকা না নিয়েই চলে যায়। এর আগে গত রোববার (১৯ এপ্রিল) রাতে প্রধান শিক্ষক প্রতিটি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের ভয়ভীতি দেখিয়ে সাদা কাগজে স্বাক্ষর নিয়ে এসেছেন। এসবের নেপথ্যে রয়েছে এক সাবেক সভাপতি বলে শিক্ষার্থীরা জানান।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, স্কুলে অভিভাবক সভার কথা বলে সাদা কাগজে তার স্বাক্ষর নেয়া হয়েছে। স্বাক্ষর না করলে পরীক্ষার্থীদের সমস্যা হবে বলে তাদের জানানো হয়েছে।
প্রঙ্গগত, রোববার (১৯ এপ্রিল) বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা টাকা ফেরত ও প্রধান শিক্ষকের অপসারণ দাবি করে স্কুল চত্ত্বরে অবস্থান নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত ও বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে, এসময় কৌশলে প্রধান শিক্ষক সটকে পড়েন। পরে সাবেক সভাপতির আহবানে প্রধান শিক্ষক স্কুলে আসেন। এ সময় স্কুলের অফিস কক্ষে ব্যাপক হট্রগোলের সৃস্টি হয়। প্রধান শিক্ষক ও সাবেক সভাপতির মারমুখী আচরণে পরিস্থিতি আরো উত্তপ্ত হয়ে উঠে।
জানা যায়, উপজেলার কলমা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এ বছর নিয়মিত মোট ২৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছে। তাদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ৫০০ টাকা করে আদায় করছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। টাকা না দিলে তাদের এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র আটকে রাখা হচ্ছে। পরীক্ষার্থী হাসিবুল ইসলাম বলেন,ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা,কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা ও প্রবেশপত্র নিতে ৪০০ টাকা নেয়া হয়েছে। আনোয়ার হোসেন বলেন, ফরম পুরুণে ২৭০০ টাকা ও কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা নেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রবেশপত্র নিতে আরো ৫০০ টাকা চেয়েছে,না দেয়ায় তাকে প্রবেশপত্র দেয়া হয়নি।
মিনহাজুল ইসলাম বলেন, গত রবিবার সকালে প্রবেশপত্র আনার জন্য স্কুলে যাই। আমাদের সহকারী শিক্ষক স্যার এ সময় ৫০০ টাকা দাবি করেন। টাকা না দেওয়ায় আমার প্রবেশপত্র আটক করে রাখেন। তিনি আরও বলেন, ৫০০ টাকা না দিলে কাউকে এবার প্রবেশপত্র দেওয়া হবে না। আমার পিতা একজন কৃষক মানুষ। এর আগে অনেক কষ্ট করে ৭ হাজার ৭০০ টাকা দিয়ে ফরম ফিলাপ এবং কোচিং ক্লাসের জন্য ২০০০ টাকা দিয়েছেন। এখন ৫০০ টাকা দেওয়ার ক্ষমতা আমাদের নেই। তাই খালি হাতে চলে আসছি। পরীক্ষা দিতে পারবো কি না এটা ভেবে অনেক কষ্ট হচ্ছে।
এবিষয়ে রাজশাহী শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আ,ন,ম মোফাখখারুল বলেন, প্রবেশপত্র দিতে টাকা নেয়ার কোনো সুযোগ নাই। তিনি বলেন, কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
এবিষয়ে কলমা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আমিরুল ইসলাম এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা অভিভাবকগণের সঙ্গে আলোচনা করে নেয়া হয়েছে।তিনি বলেন, কোচিং ক্লাসের টাকা ও প্রবেশপত্র বাবদ নেয়া টাকা ফেরত দেয়া হয়েছে।
আলিফ হোসেন